৩ টেস্ট / কিম হং / খিউ স্যাম রস (3 Taste / Kim Hong / Khiew Sam Ros)

Fruits

Showing 1–16 of 279 results

ফলগাছ হলো সেইসব উদ্ভিদ যা ফুল ফোটার পর নিষেক (fertilization) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মিষ্টি, রসালো বা শাঁসযুক্ত ফল উৎপাদন করে। মানুষের পুষ্টি ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এদের ভূমিকা অপরিসীম।

প্রধান শ্রেণীবিভাগ (Types of Fruit Plants)

আয়ুষ্কাল ও গাছের গঠন অনুযায়ী ফলগাছকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:

  • ১. বহুবর্ষজীবী বৃক্ষ (Perennial Trees): এই গাছগুলো বহু বছর বাঁচে এবং আকারে বেশ বড় হয়। প্রতি বছর বা নির্দিষ্ট ঋতুতে এরা ফল দেয়।

    • উদাহরণ: আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম।

  • ২. গুল্মজাতীয় গাছ (Shrubs/Bushy Plants): এগুলো আকারে মাঝারি ও ঝোপঝাড়ের মতো হয়।

    • উদাহরণ: লেবু, পেয়ারা, ডালিম (বেদানা)।

  • ৩. লতানো ও ভেষজ উদ্ভিদ (Vines & Herbs): এই গাছগুলোর কাণ্ড নরম হয় এবং অনেক সময় মাটির ওপর বা মাচায় বেয়ে বড় হয়।

    • উদাহরণ: তরমুজ, আঙুর, কলা, পেঁপে (কলা ও পেঁপে মূলত বড় ভেষজ উদ্ভিদ)।

ফলগাছের জীবনচক্রের ধাপসমূহ

একটি ফলগাছ মূলত ৪টি ধাপে তার জীবনচক্র সম্পন্ন করে:

[বীজ/কলম] ➔ [অঙ্কুরোদগম ও গাছের বৃদ্ধি] ➔ [ফুল ফোটা] ➔ [ফল উৎপাদন]

১. বংশবিস্তার: বীজ থেকে অথবা কলম (Grafting) পদ্ধতির মাধ্যমে নতুন চারা তৈরি করা হয়। কলমের গাছে দ্রুত ফল আসে।

২. পরাগায়ন (Pollination): ফল আসার প্রথম শর্ত হলো ফুল ফোটা। মৌমাছি, পাখি বা বাতাসের মাধ্যমে ফুলে পরাগায়ন ঘটে।

৩. ফল পরিপক্ক হওয়া: পরাগায়নের পর ফুলটি ধীরে ধীরে ফলে রূপান্তরিত হয় এবং সূর্যের আলো ও পুষ্টি পেয়ে পেকে ওঠে।

এক নজরে কিছু জনপ্রিয় ফলগাছ:

গাছের ধরন উদাহরণ (বাংলা ও ইংরেজি নাম) ফল পাকার মূল ঋতু
বড় বৃক্ষ আম (Mango), কাঁঠাল (Jackfruit) গ্রীষ্মকাল (জ্যৈষ্ঠ মাস)
মাঝারি/গুল্ম পেয়ারা (Guava), লেবু (Lemon) প্রায় সারা বছর / বর্ষাকাল
নরম কাণ্ড/লতা কলা (Banana), পেঁপে (Papaya), তরমুজ (Watermelon) সারা বছর / গ্রীষ্মকাল